Saturday, August 20, 2022
spot_img
Homeঅপরাধ দুর্ণীতিস্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী

স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী

অনলাইন ডেস্ক: নেত্রকোনার মদনে সাজেদা আক্তার (২৫) নামের এক নারীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে স্বামী ও স্বজনরা পালিয়ে গেছে। ওই নারীর মরদেহ ময়নাতদন্ত করার জন্য সুরৎহাল রিপোর্ট তৈরী করেছে মদন থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নেত্রকোনার মদন হাসপাতলে এ ঘটনা ঘটে।

সাজেদা আক্তার ওই উপজেলার মদন ইউনিয়নের বাগধাইর গ্রামের হুমায়ূন মিয়ার স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি পাশের উপজেলা কেন্দুয়ার বেগুনি গ্রামে। এ খবর লিখা পর্যন্ত সাজেদা আক্তারের মরদেহ মদন হাসপাতালে রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার মদন উপজেলার মদন সদর ইউনিয়নের মৃত আলী হোসেনের ছেলে হুমায়ূন। ৯ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে সাজেদাকে বিয়ে করে দাম্পত্য জীবন শুরু করেন। দাম্পত্য জীবনে ৭ বছর বয়সী একজন ছেলে সন্তান রয়েছে তাদের। কর্মজীবনে ৩ বছর মালয়েশিয়া ছিলেন হুমায়ূন। গত ২ মাস আগে বাড়িতে আসেন। আবার মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনমালিন্য দেখা দেয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজ বসত ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় দড়ি লাগিয়ে ফাঁস নেন সাজেদা আক্তার। স্বামী হুমায়ূনের চিৎকারে প্রতিবেশী লোকজন সাজেদা আক্তারকে উদ্ধার করে মদন হাসাপাতালে নিয়ে আসেন। মদন হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কতর্ব্যরত চিকিৎসক আসাদ হোসেন সাজেদাকে মৃত ঘোষণা করেন। মারা যাওয়ার খবর শুনেই স্বামী হুমায়ূন স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখেই পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ আসলে প্রতিবেশী ও স্বজরাও সটকে পড়েন।

এ ব্যাপারে মরদেহর কাছে থাকা হুমায়ূনের বড় ভাই আবুল বাশার বলেন, সাজেদা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে খবর শুনে হাসাপতালে আসি। লাশের সঙ্গে পুলিশ আমাকে আটকে রাখলে সবাই পালিয়ে যায়। আমি একাই লাশের সঙ্গে আছি।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদেসৈ আলম বলেন, খবর হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ হাসপাতালে যাওয়ার আগেই ওই নারীর স্বামী পালিয়ে গেছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশের সুরৎহাল রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজ রাজশাহী/ বিপ্লব।

সম্পর্কিত খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ খবর

জনপ্রিয় খবর

Recent Comments